পাবনায় ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ১৩ কর্মী গ্রেফতার

পাবনার মনসুরাবাদ উপশহর এলাকা থেকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পাবনা থানা পুলিশ।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাদের আটক করা হয়। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ধুলাউড়ি কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনের বাসায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার নিয়মিত কোরআন তালিম চলাকালীন সময়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এসময় তাদের সাথে থাকা বিভিন্ন ইসলামিক বই, সংগঠনের সদস্য ফরম নিয়ে যায় পুলিশ।

স্থানীয় এক জামায়াত নেতা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ছাত্রী সংস্থার মেয়েরা তাদের নিয়মিত কোরআন তালিম করছিলো এসময় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। তিনি বলেন, শিবির বা ছাত্রীসংস্থা কী নিষিদ্ধ সংগঠন? তাহলে কেনো তারা বৈঠক করতে পারবে না? তাদেরকে কেনো বৈঠকের সময় আটক করা হলো। আমি এই ঘটনার তিব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

পুলিশের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ইসলামী ছাত্রী সংস্থার কয়েকজন মেয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনের বাসায় গোপন বৈঠক করছে। তখন সেখানে গিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করি।

জামায়াতের এক নেতা বলেন, শিবির বা ছাত্রীসংস্থা কী নিষিদ্ধ সংগঠন? তাহলে কেনো তারা বৈঠক করতে পারবে না? তাদেরকে কেনো আটক করা হবে? আটক করেই কেনো নাশকতার গল্প বলা হবে? মুলত এগুলো হলো, এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া মানসিকতার বহি:প্রকাশ। তারা ঘৃণা যেভাবে ছড়াচ্ছেন, তাতে তো শিবির বা ছাত্রী সংস্থার বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবেই। নানা ধরনের প্রচারণা চালিয়ে শিবির বা ছাত্রীসংস্থাকে বিষাক্ত সাপের মত বানিয়ে ফেলা হচ্ছে, যাতে মানুষ পিটিয়েই তাদেরকে মেরে ফেলে। আর যার কপাল ভালো, সে হয়তো পুলিশের হাতে যাবে। সংশ্লিষ্টমহলেরা সকলে মিলে ঘৃনার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছেন। পরিনতিতে একদিন আবরাররা নিহত হয়, আরেকদিন হয়তো পরহেজগার নারীরা আটক হয়। সব এক সুতোতেই বাঁধা।

Comments

comments