একজন খান সাহেব ও আমাদের নেতা

আহমেদ আফগানী

আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি। একদিন দেখলাম বাবা হন্তদন্ত হয়ে বাসায় এলেন আর বলতে লাগলেন খান সাহেব চলে গেছে। ব্যাপক হা-হুতাশ করছেন আর কোথাও যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। কোন খান সাহেব? আব্বাস আলী খান। ছোট মানুষ ছিলাম। অত কিছু বুঝতাম না, তবে আব্বুর পেরেশানী দেখে বুঝেছি বড় একটা ক্ষতি হয়ে গেছে। সেদিন নামটা মুখস্ত হলো।

এরপর যখন আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলাম তখন বইয়ের আলমিরায় দেখি এই নামের লেখকের অনেক বই। আমি যাঁদের কাছ থেকে ইতিহাস শিখেছি তাঁদের মধ্যে অন্যতম আব্বাস আলী খান। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রধান রাজনীতিক, ইতিহাসবিদ, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও সংগঠক।

জন্ম :
জনাব আব্বাস আলী খান ১৯১৩ সাল বা ১৩২১ সালের ফাল্গুন মাসের শেষ সপ্তাহে সোমবার বেলা ৯টায় জয়পুরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্ব পুরুষগণ ছিলেন পাঠান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত।

শিক্ষা ও ক্যারিয়ার :
তিনি নিজ ঘরেই পড়ালেখা শুরু করেন। স্থানীয় মাদরাসা থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে উঠার পর তিনি হুগলী মাদরাসায় পড়তে যান। হুগলী মাদরাসায় পড়াশুনা শেষ করে রাজশাহী সরকারী কলেজ এবং রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৩৫ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিস্টিংশনসহ বি.এ. পাস করেন। এরপর তিনি উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য কোলকাতা যান। কিন্তু অভিভাবকদের ইচ্ছাক্রমে চাকুরী গ্রহণ করেন।

চাকুরিস্থলে অফিসের বড় বাবু খান সাহেব নামায পড়তে যাওয়ার কারণে সব সময় ঝামেলা করতেন। তাই শেষ পর্যন্ত তিনি চাকুরী ছেড়ে দেন। কিন্তু নামায ছাড়েননি। উল্লেখ্য যে, সে সময় কোলকাতায় জুমার নামাযে প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আবুল কালাম আযাদের খুতবাহ শুনে তার মধ্যে এক উদ্দীপনা ও ভাবধারার সৃষ্টি হয়। এ সময় তিনি মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আল জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ ও হিযবুল্লাহ বই দুটি অধ্যয়ন করেন এবং আল জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ ভাব অবলম্বনে ইংরেজিতে প্রবন্ধ লিখেন যা মাসিক মোহাম্মদী ও তৎকালীন ইংরেজী সাপ্তাহিক ‘মুসলিম’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

১৯৫২ সালে জয়পুরহাটে স্থানীয় স্কুলের হেড মাষ্টার সীমান্ত পার হয়ে চলে যাওয়ায় ম্যাজিট্রেটের অনুরোধে হেড মাষ্টারের পদ গ্রহণ করেন।

ইসলামী আন্দোলনে সম্পৃক্ত :
১৯৫৪ সালে স্থানীয় একটি মাদরাসায় ইসলামী জলসা ছিল। তাঁরই ছাত্র উক্ত মাদরাসার সেক্রেটারি। ছাত্রের অনুরোধে তিনি ঐ জলসায় যান। উক্ত জলসায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কারমাইকেল কলেজের তরুণ অধ্যাপক গোলাম আযম। অধ্যাপক গোলাম আযমের মুখে কালেমা তাইয়্যেবার ব্যাখ্যা শুনে মুগ্ধ হয়ে যান। সভাশেষে এক সাথে খাওয়া-দাওয়া ও পরিচয় হয়। জনাব খান অধ্যাপক সাহেবের কাছ থেকে মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (র)-এর লেখা কিছু বই পুস্তক কিনেন এবং তার কাছেই শুনতে পান যে বগুড়ার জামায়াতের দায়িত্বশীল হলেন শায়খ আমীন উদ্দিন।

১৯৫৫ সালের জানুয়ারিতে জনাব আব্বাস আলী খান বগুড়ার দায়িত্বশীল শায়খ আমীন উদ্দিনের সাথে দেখা করে মুত্তাফিক ফরম পূরণ করেন এবং নিজ এলাকায় একটি ইউনিট কায়েম করে সেই ইউনিট চালান। ৫৬ সালের মাঝামাঝি জামায়াতের রুকন হন এবং তদানীন্তন রাজশাহী বিভাগের আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম জনাব আব্বাস আলী খান-এর রুকনিয়াতের শপথ পাঠ করান।

উল্লেখ্য যে, মাওলানা মওদূদী (র) ১৯৫৬ সালে প্রথম পূর্ব পাকিস্তান সফর করেন। এসময় থেকে খান সাহেব মাওলানা মওদূদীর (র) সান্নিধ্যে আসেন। মরহুম খান সাহেব খুব ভালো উর্দু জানতেন, তাই তিনি মূল উর্দু ভাষায় মাওলানার সবগুলো বই পড়ে ফেলেন এবং মাওলানার সান্নিধ্যে থেকে মাওলানার বক্তৃতা এবং আলোচনা ভালোভাবে হজম করেন। মাওলানা দ্বিতীয় বার পূর্ব পাকিস্তান সফর করেন ১৯৫৮ সালে। এ সফরে তিনি রংপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া ও রাজশাহীতে যেসব জনসভা ও সমাবেশে বক্তৃতা করেন, মরহুম খান সাহেব সেসব সভা সমাবেশে মাওলানার দোভাষীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৭ সালের প্রথম দিকে জামায়াতের নির্দেশে তিনি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের চাকুরী ত্যাগ করেন। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি এবং ছাত্ররা তাঁকে কিছুতেই স্কুল থেকে ছাড়তে রাজি হচ্ছিল না। এমনকি স্কুলের শত শত ছাত্র এসে তাঁকে স্কুলে ফিরিয়ে নেবা জন্য তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে।

১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তাঁর উপর রাজশাহী বিভাগীয় জামায়াতে ইসলামীর আমীরের দায়িত্ব অর্পিত হয়। পাকিস্তান আমলের শেষ পর্যন্ত তিনি বিভাগীয় আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে জামায়াতে ইসলামী পুনর্গঠিত হবার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জনাব আব্বাস আলী খান জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালের রমযান মাসে আমীরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আযমকে যখন জেলে নেয়া হয় এবং ১৬ মাস বন্দী করে রাখা হয়, তখনো তিনি ভারপ্রাপ্ত আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া আমীরে জামায়াত যখনই দেশের বাইরে গিয়েছেন, তখন তিনিই ভারপ্রাপ্ত আমীরের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন :
আব্বাস আলী খান ১৯৬২ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর পার্লামেন্টারি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন এবং জাতীয় পরিষদে ইসলাম ও গণতন্ত্রের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। তিনি আইয়ুব খানের কুখ্যাত মুসলিম পারিবারিক আইন বাতিলের জন্য ১৯৬২ সালের ৪ঠা জুলাই জাতীয় পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করেন। অধিবেশন শুরুর আগের দিন ৩রা জুলাই আইয়ুব খান জনাব আব্বাস আলী খানকে তার বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান। জেনারেল আইয়ুব খান তাকে মেহমানদারী করার ফাঁকে প্রস্তাবিত বিলটি জাতীয় পরিষদে পেশ না করার জন্য আকারে ইংগিতে শাসিয়ে দেন। সেই সাথে এর বিরোধীতা করার জন্য মহিলাদেরকে উসকিয়ে দেন। কিন্তু তীব্র বিরোধীতার মুখেও জনাব খান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।

স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে বিরোধী দলগুলো ‘কপ’, ‘পিডিএম’এবং ‘ডাক’ নামে যেসব জোট গঠন করেছিল, তিনি ছিলেন এ জোটগুলোর অন্যতম নেতা। ১৯৬৯ সালের আইয়ুব বিরোধী গণঅভ্যূত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জনাব আব্বাস আলী খান ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান মন্ত্রীসভায় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকার জনাব খানকে কারাগারে নিক্ষেপ করে। এ সময়ে তিনি দু’বছর কারাভোগ করেন।

১৯৭২ সালে আওয়ামীলীগ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত সংবিধানে ধর্ম-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষিত করার পর থেকে ১৯৭৯ সালের মে মাস পর্যন্ত প্রকাশ্যে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। ১৯৭৯ সালের ২৫, ২৬ ও ২৭ মে ঢাকার হোটেল ইডেনে আয়োজিত এক রুকন সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ প্রকাশ্যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৭২ সাল থেকে ’৭৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সাত বছর জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক ময়দানে অনুপস্থিত থাকার কারণে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কম্যুনিষ্ট ও ধর্মনিরপেক্ষবাদী ভারতপন্থীরা একতরফাভাবে নানা অপপ্রচার চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিল। এমনি একটি বৈরী পরিবেশে কঠিন পরিস্থিতিতে জনাব আব্বাস আলী খানকে জামায়াতের হাল ধরতে হয়েছিল। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে সাংবাদিক সম্মেলনসহ সভা-সমাবেশে যুক্তিপূর্ণভাবে জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য জনগণের সামনে উপস্থাপন করে আল্লাহর মেহেরবাণীতে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করে তোলেন।

মরহুম আব্বাস আলী খান ১৯৮০ সালের ৭ই ডিসেম্বর ঢাকা মহানগরীর রমনা গ্রীণে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইসলামী বিপ্লবের সাতদফা গণদাবী ঘোষণা করেন। ১৯৯৪ সাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় তিন যুগ ধরে তিনি জয়পুরহাট শহরের বৃহত্তম ঈদের জামায়াতের ইমাম ছিলেন।

মানুষের প্রতি ভালবাসা ও দুঃস্থ মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধের কারণে সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে তিনি আগাগোড়াই জড়িত ছিলেন। শিক্ষকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহণের পেছনে তার এ মনোভাবই বেশী সক্রিয় ছিল। শিশুরা যাতে ছোট বেলা থেকেই আদর্শ মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে সুযোগ পায় সেজন্য জয়পুরহাটে তিনি একটি আদর্শ আবাসিক স্কুল স্থাপন করেন।

বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকান্ড প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে জনাব খান সর্বদাই দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং তাদের কল্যাণে যথাসাধ্য ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে বহুক্ষেত্রেই তিনি দুর্গত মানুষের মাঝে স্বহস্তে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। উড়ির চরের জলোচ্ছ্বাসের পরপরই তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণ সামগ্রীসহ সেখানে পৌঁছান।

সাহিত্যে অবদান :
ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রতি জনাব খানের আগ্রহ ছিল অপরিসীম। আরবী ভাষা তিনি সুন্দরভাবে লিখতে পারতেন। বাংলা, ইংরেজী ও উর্দু ভাষায়ও তাঁর দখল ছিল এবং এসব ভাষায় বক্তৃতায় তিনি ছিলেন সাবলীল। অতি ব্যস্ততা সত্ত্বেও জনাব খান গ্রন্থ প্রণয়ন ও অনুবাদের কাজ করে গিয়েছেন নিরলসভাবে। আত্ম-স্মৃতিচারণ মূলক তাঁর গ্রন্থ ‘স্মৃতি সাগরের ঢেউ’ শুধু সুখপাঠ্যই নয়, তদানিন্তন সমাজের একটা দর্পনও বটে। বিলেতে সফরের উপর তাঁর লেখা ‘যুক্তরাজ্যে একুশ দিন’ এবং আমেরিকা-কানাডা সফরের উপর লেখা ‘বিদেশ পঞ্চাশ দিন’ যেমন উপভোগ্য তেমনি তথ্যবহুল ও শিক্ষনীয়। অনুবাদ ও মৌলিক রচনা মিলিয়ে জনাব আব্বাস আলী খানের প্রায় পঁয়ত্রিশটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া সমসাময়িক ও নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপরও সংবাদপত্রের প্রবন্ধ লিখে গিয়েছেন। প্রকাশিত এমন নিবন্ধের সংখ্যা তাঁর অনেক। তিনি অনেক ছোট গল্পের লেখক। তিনি বেশ কয়েকটি মৌলিক গ্রন্থও রচনা করেছেন। “বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস” তার এমনি একটি রচনা।

জনাব আব্বাস আলী খানের রচিত গ্রন্থাবলী
১. জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস
২. জামায়াতে ইসলামীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
৩. বাংলার মুসলমানদের ইতিহাস
৪. মাওলানা মওদূদী ঃ একটি জীবন, একটি ইতিহাস, একটি আন্দোলন
৫. আলেমে দ্বীন মাওলানা মওদূদী
৬. মাওলানা মওদূদীর বহুমুখী অবদান
৭. মৃত্যু যবনিকার ওপারে
৮. ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের কাঙিক্ষত মান
৯. ঈমানের দাবী
১০. ইসলাম ও জাহেলিয়াতের চিরন্তন দ্বন্দ্ব
১১. একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণঃ তার থেকে বাঁচার উপায়
১২. ইসলামী বিপ্লব একটি পরিপূর্ণ নৈতিক বিপ্লব
১৩. সমাজতন্ত্র ও শ্রমিক
১৪. MUSLIM UMMAH
১৫.স্মৃতি সাগরের ঢেউ
১৬.বিদেশে পঞ্চাশ দিন
১৭.যুক্তরাজ্যে একুশ দিন
১৮.বিশ্বের মনীষীদের দৃষ্টিতে মাওলানা মওদূদী
১৯.ইসলামী আন্দোলন ও তার দাবী
২০.দেশের বাইরে কিছুদিন

জনাব আব্বাস আলী খানের অনূদিত গ্রন্থাবলী
২১. পর্দা ও ইসলাম
২২. সীরাতে সরওয়ারে আলম (২-৫খন্ড)
২৩. সুদ ও আধুনিক ব্যাংকিং (সহ-অনুবাদ)
২৪. বিকালের আসর
২৫. আদর্শ মানব
২৬. ইসলাম ও সামাজি সুবিচার
২৭. জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের ভিত্তি
২৮. ইসলামী অর্থনীতি (সহ-অনুবাদ)
২৯. ইসরা ও মিরাজের মর্মকথা
৩০. মুসলমানদের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মসূচী
৩১. একটি ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার
৩২. পর্দার বিধান
৩৩. ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপ
৩৪. আসান ফিকাহ (১-২ খন্ড)
৩৫. তাসাউফ ও মাওলানা মওদূদী

মহান আল্লাহর কাছে যাত্রা :
৩রা অক্টোবর ১৯৯৯ সাল, বেলা ১-২৫ মিনিটে এ মহান শিক্ষক একমাত্র কন্যা ও নাতি-নাতনীদের রেখে দুনিয়া ছেড়ে পরপারে চলে গেলেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জয়পুরহাট জেলা শহরের প্রশস্ত রাজপথ ঘেঁষে তাঁর বাড়ির আঙ্গিনায় তাঁকে দাফন করা হয়। কবরের কাছে রয়েছে তাঁর নিজ হাতে গড়া ইসলামী পাঠাগার। জাতির শিক্ষক খান সাহেবের জন্য রইলো ভালোবাসা। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তায়ালা তাঁর ত্যাগ কবুল করুন। তাকে সম্মানিত করুন।

লেখকের ব্লগ থেকে সংগৃহিত

Comments

comments