উত্তপ্ত কাশ্মীরে চলছে ধরপাকড়, ৪ শতাধিক গ্রেপ্তার

ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর দেশটির লোকসভাতে পাস হলো জম্মু-কাশ্মির পুনর্গঠন বিল। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরই আইনে পরিণত হবে এটি।

অবশ্য, এ বিলের তীব্র বিরোধিতা করে কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূলসহ বিভিন্ন বিরোধী দল। অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী নেতারা।

এদিকে, ফের পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলার চেষ্টা হলে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। কাশ্মীর ইস্যুতে পাক পার্লামেন্টে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার আশঙ্কা কাশ্মীরে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালাতে পারে ভারত।

কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী জনগনকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে পাক সেনাবাহিনী।

জরুরি অবস্থার মধ্যেই রাজনৈতিক নেতাসহ অন্তত ৪শ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কাশ্মীরে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। এই বৈঠককে ঘিরে সকাল থেকেই জল্পনা কল্পনা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে তা অবসান হল রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির পর। বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়া হয় জম্মু-কাশ্মীরের। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জম্মু-কাশ্মীরকে পুনর্গঠিত করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। একটি জম্মু কাশ্মীর, অন্যটি লাদাখ। বিষয়টি নিয়ে উত্তাল হয় সংসদ। বিশেষ মর্যাদা বাতিল হওয়ায় এখন জমি-ফ্লাট কেনা যাবে কাশ্মীরে। অন্য রাজ্যের পুরুষকে বিয়ে করলেও সম্পত্তির অধিকার হারাবে না কোনো নারী। নব্বইয়ের দশকে কয়েক লাখ হিন্দু পণ্ডিতকে বিতাড়িত করা হয় কাশ্মীর থেকে। তাদের প্রত্যাশা, এখন নিজ ভিটায় ফিরতে পারবেন তারা।

Comments

comments