প্রিয়া সাহার যত কুকীর্তি

হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষা কিংবা কাউকে সহযোগিতার জন্য নয়। বরং নিজের একটি এনজিওর ব্যবসা চাঙ্গা রাখার জন্যই দেশবিরোধী মিথ্যাচার করেছেন প্রিয়া সাহা। এমনকি নিজের বাবার বাড়ির লোকদের বিভিন্নভাবে মামলা দিয়ে হয়রানিরও অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা গ্রামের চর বানিয়ারি গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাবার বাড়ি প্রিয়ার। এই গ্রামের পাশেই অবস্থিত বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা। কয়েক যুগ ধরে চিতলমারী ও নাজিরপুরের মানুষের মধ্যে মৃত বলেশ্বরী নদীর চড়ের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধে জড়িত দুই উপজেলার মুসলমান ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ।

আইনি লড়াইও তারা মিলেমিশে করছেন। আর এই দুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত সম্প্রীতির মাঝে সেখানে বাস করছেন। জমিজমা সংক্রান্ত এই দ্বন্দ্বকেই ধর্মীয় সহিংসতা দেখানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। আর এর মাধ্যমে শারি নামের তার একটি এনজিও দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রচুর অর্থ। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি সম্প্রতি আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ বিরোধী অসত্য তথ্য প্রদান করেছেন যাতে এর মাধ্যমে তার ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে পারেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রিয় বালার ভাই সাবেক যুগ্ম সচিব জগদীশ বিশ্বাসের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিজেরাই রাতের আধারে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সেটাকে ধর্মীয় বিশৃঙ্খলা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন প্রিয়া। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রামের সহজ সরল মানুষদের হয়রানী করেছেন সে। এর আগে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন চর বানিয়ারি গ্রামে বসবাস করছে বলেও জানান স্থানীয়রা।

পিরোজপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে নির্যাতনের কোন ঘটনা নেই দাবি করেছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এই নেতা। তিনি প্রিয়ার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেওয়ারও দাবি জানান।

Comments

comments