তুরষ্কে ব্যর্থ অভ্যূত্থানের তৃতীয় বার্ষিকী : ছবির ফ্রেমে গাঁথা জনপ্রতিরোধ!

এরদোগানের নেতৃত্বে মার্কিন–ইসরাইল বলয় ভেঙ্গে নিজস্ব স্বকীয়তার পথে তুরস্কের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিতে তিন বছর আগে ১৫ জুলাই কিছু সেনা সদস্য অভ্যুত্থানের চেষ্টা করে। সে রাতে তুর্কি জনসাধারণের স্বতস্ফূর্ত আত্নত্যাগ বিপথগামী সেনাদের ক্ষমতা দখলের অভিলাষ ব্যর্থ করে দেয়। অভ্যূত্থানের রাত ও পরদিনের স্মরণীয় কিছু মুহূর্তের ছবি নিচে দেওয়া হলো।

ছবি: ১৫ জুলাই, ২০১৬ অভ্যূত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর তুর্কীদের উল্লাস।
ছবি: শহীদ আহমাদ ইজযি। ট্যাংকের গতিরোধের জন্য রাস্তায় শুয়ে পড়েছিলেন। শাহাদাতের আগ মুহূর্তে চিরস্মরণীয় ছবিটি তোলা হয়। ফেতুল্লাহ গুলেনের অনুসারী সেনা সদস্যরা তার উপর দিয়ে ট্যাংক চালিয়ে দেয়।
ছবি: সাবেক বসফরাস ব্রীজে ট্যাংকের মুখোমুখি হওয়ার জন্য জড়ো হয়েছিলেন শত শত মানুষ। ব্রীজটি এখন তুর্কীদের নিকট ‘শুহাদা ব্রীজ’ নামে পরিচিত। বসফরাস চ্যানেলের উপর যে ব্রীজটি ইউরোপের সাথে এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে। সেনা সদস্যদের সাথে তুমুল সংঘর্ষে এখানে প্রায় ত্রিশজন মানুষ শহীদ হন। তারপর থেকে ব্রীজটিকে ‘জিছরুছ শুহাদা’ (শহীদদের ব্রীজ) বলা হয়।
ছবি: অভ্যূত্থান কারীদের থেকে সরকারী স্থাপনাসমূহ রক্ষার চেষ্টা করছেন শহরের বাসিন্দারা।
ছবি: মার্কিন–ইহুদি লবির ষড়যন্ত্রকারীরা কল্পনাতীতভাবে সাধারণ মানুষের নজিরবিহীন প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়। আতাতুর্ক বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে ট্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন একজন নিরস্ত্র নাগরিক। ষড়যন্ত্রকারীদের বুঁকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল ছবিটি।
সেনা সদস্যের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন একজন তুর্কী।
ছবি: আতাতুর্ক বিমানবন্দরে এরদোগানের অবতরণের মুহূর্ত।
অভূত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর বসফরাস ব্রীজে মানুষের উল্লাস।
ছবি: শহীদদের জানাযার দূশ্য। সেদিন ২৫০ জন মানুষ শহীদ হয়েছিলেন।
ছবি: অভ্যূত্থান ব্যর্থ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে এরদোগানের আহবানে সমবেত হয়েছিলেন লক্ষাধিক মানুষ।

Comments

comments