সৈকতে ভেসে এসেছে আরও ৬ লাশ

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় কক্সবাজার উপকূলে ভেসে এসেছে আরও ৬ জেলের লাশ।

শুক্রবার ভোররাত, দুপুর ও বিকালে পৃথকভাবে আরও ছয়জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ২ দিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২। এর মধ্যে কক্সবাজার শহরের সৈকতের সমিতি পাড়া থেকে ৩, হিমছড়ি থেকে একজন ও মহেশখালী থেকে ২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার জেলেদের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন সাংবাদিকদের জানান, পাথুরে বিচ হিমছড়ি, দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর হোয়ানক ও সৈকতের সমিতি পাড়া থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

দু’দিনে উদ্ধার করা ১২ লাশের মধ্যে সাতজনের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন- ভোলা জেলার চরফ্যাশন রসুলপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডের শামছুদ্দিন পাটোয়ারী (৪৫), চরফ্যাশনের পূর্ব মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন (৩৫), চরফ্যাশনের উত্তর মাদ্রাসা এলাকার অলি উল্লাহ (৪০), একই এলাকার অজি উল্লাহ (৩৫), মো. মাসুদ (৩৮), বাবুল মিয়া (৩০) ও জাহাঙ্গীর আলম। পরিচয় শনাক্ত হওয়া সাতজনকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সাগর থেকে ভেসে আসা একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ছয় জেলের লাশ এবং দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা এখনও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জীবিত উদ্ধার হওয়া মনির আহমদ মাঝি জানান, ৪ জুলাই ভোলার চরফ্যাশনের শামরাজ ঘাট থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সাগরে পাড়ি দেয় ট্রলারটি। তারা মোট ১৪ জন ট্রলারে ছিলেন। ৬ জুলাই ভোরে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে ট্রলারটি থেকে ছিটকে পড়েন জেলেরা।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়া ট্রলারটির মালিক ভোলার চরফ্যাশন এলাকার ওয়াজ উদ্দিন পিটার।

Comments

comments