লিচু চুরি করতে গিয়ে গণধোলাই খেলো ছাত্রলীগের দুই নেতা

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধর করেছে স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলের পিছনে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কানন ও উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা মেডিকেলের ৮ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকয়া হলের পিছনে রাতে লিচু পাড়তে যায় কানন ও মেহেদীসহ বেশ কয়েকজন। এসময় বাগানটি পাহারার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাদেরকে দেখে ফেলে এবং লিচু পাড়তে বাধা দেয়। তখন তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে স্থানীয় ওই যুবকেরা। এতে ছাত্রলীগ নেতা কাননের দুই হাত ভেঙ্গে যায় ও মেহেদীর পায়ে গুরুতর জখম হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তারা স্থানীয় কাউকে দেখতে না পেয়ে পাহারাদারদের থাকার জন্য নির্মিত মাচার ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘ছাত্রলীগের দুই নেতাকে স্থানীয়রা মারধর করেছে। তারা এখন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমি তাদের সঙ্গে রয়েছি’।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন লিচু বাগানটি স্থানীয়রা লিজ নিয়েছিল।

Comments

comments