জামায়াত নিয়ে সরকারি খেলা শুরু হয়েছে: মোশাররফ

দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে দলের নেতাকর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। যেখানে দুর্বলতা আছে তা খুঁজে বের করে দলকে শক্তিশালী করা হবে। আপনারা হতাশ হবেন না।’

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি নেতা তৈয়মুর আলম খন্দকার রচিত দুটি বইয়ের প্রকাশনা-পাঠ ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে সত্য পরাজিত, মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত। গণতন্ত্রের মা খালেদা জিয়া আজ কারাগারে বন্দি। দলকে শক্তিশালী করে তার মুক্তির জন্য আন্দোলনে নেমে পড়তে হবে। হতাশ না হয়ে জেগে উঠুন।’

প্রসহনের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। এই অবস্থায় দেশের মানুষ বসে থাকবে, তা বিশ্বাস করি না। অনেকে বলেন, বিএনপি পরাজিত, নেতাকর্মীরা হতাশ। এটা সত্য নয়। আমি বলবো, বিএনপি পরাজিত নয়। ২৯ ডিসেম্বরের ভোট ডাকাতি ও ৩০ ডিসেম্বরের প্রহসন দেখে নেতাকর্মীরা হতভম্ব। এই সরকার স্বৈরাচারী। আর কোনও স্বৈরাচার বেশি দিন টিকে থাকতে পারেনি। ভোট ডাকাতি করে টিকে থাকা যাবে না। মানুষ নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।’

গণমাধ্যমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘জামায়াতকে আজ গণমাধ্যম সামনে নিয়ে এসেছে। একটা সরকারি খেলা শুরু হয়েছে। জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেলের পদত্যাগের বিষয় ছাড়া মনে হচ্ছে দেশে আর কোনও ইস্যু নেই। জামায়াত তো কোনও সমস্যা না। জামায়াত যদি রাজনীতিতে ভুল করে, তারা সেটা সংশোধন করবে। অথবা তারা তাদের সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে মিডিয়াতে আলোচনা সেভাবে নেই। আলোচনা শুধু জামায়াতকে নিয়ে।’

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘খালেদা জিয়া স্বাধীনতার ঘোষকের স্ত্রী, এই একটি পয়েন্টের জন্য তাকে বাইরে রাখা উচিত। তাছাড়া তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছেন।’

বিএনপি’র এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘তারেক রহমান কী দোষ করেছে? সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টের যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে লেখা ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে এক ব্যক্তির কথা প্রকাশ করা যাবে না এমন একটি দেশে তৈমুর আলম খন্দকার অসাধ্যকে সাধন করেছেন

Comments

comments