চট্টগ্রাম-১৬: ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এগিয়ে জামায়াত নেতা জহিরুল

বিশেষ প্রতিনিধি:
রাত পোহলেই নির্বাচন। সরকার দলীয় বিভন্ন সহিংসতার মধ্যদিয়ে গতকালেই শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালীর ভোটাররা এখন ভোট দেওয়ার অপেক্ষায়! আগামী ৫বছরে এই চার লক্ষাধিক মানুষের কে ধরবেন হাল?

অনেকেই বলছেন এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত ত্রিমুখী লড়াই হবে। তবে বড় দুই দল রয়েছে অভ্যন্তরীন কোন্দোল। তাই আপেল প্রতীক নিয়ে জামায়াত এই পর্যটন নগরীর হাল ধরবেন বলে আশাবাদী এই নগরীর মানুষ।

বাঁশখালী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে জামায়াত প্রার্থী উপজেলার সদ্য পদত্যাগী চেয়ারম্যান মাওলানা জহিরুল ইসলাম। অত্যন্ত সফল এই উপজেলা চেয়ারম্যান সমগ্র বাঁশখালীতে তুমুল জনপ্রিয়।

২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬৬ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হন তিনি। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী খোরশেদ আলম পেয়েছিলেন ৫২ হাজার ৮৯০ ভোট। আর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলমগীর কবির চৌধুরী পেয়েছিলেন ২১ হাজার ৩৬৫ ভোট। বিএনপির আরেক প্রার্থী লিয়াকত আলী পেয়েছিলেন ১৮ হাজার ১৩৭ ভোট।

তাই সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় পর্যটন নগরী ও শিল্পাঞ্চল গড়ার প্রত্যাশায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন এই তরুণ নেতা জহিরুল।

জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমি অনায়াসেই জিতেছি। এমপি নির্বাচনেও আল্লাহর রহমতে আমি এগিয়ে আছি। কারণ, জামায়াতের বাইরেও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির অনেকই আমাকে ভোট দেবে। আমাদের চিন্তা, কেন্দ্র পাহারা দেওয়া নিয়ে। জনগণ কেন্দ্রে যেতে পারলে আমার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

শিল্প-কারখানার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উন্নত যোগাযোগ এবং অসাম্প্রদায়িক বাঁশখালীর প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। তাই তারা বলছেন, ‘জহিরুল উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা সময়ে আমাদের অনেক উন্নতি করেছে। তাই তিনি এমপি হয়ে আমাদের নগরীকে আরও উন্নত নগরী গড়ে তুলবেন বলে আমরা আশা রাখছি।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম-১৬: জনপ্রিয়তায় আত্মবিশ্বাসী জামায়াত নেতা জহিরুল ইসলাম

Comments

comments