চট্টগ্রাম-১৫: প্রচারণায় নৌকা, নিরব বিপ্লবের অপেক্ষায় ধানের শীষ

বিশেষ প্রতিনিধি:
জামায়াতের দূর্গ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম-১৫ সংসদীয় আসনটি। লোহাগাড়া উপজেলা এবং সাতকানিয়া উপজেলা (কেউচিয়া, কালিয়াইশ, বাজালিয়া, ধর্মপুর, পূরানগড় ও খাগরিয়া ইউনিয়ন ব্যতিত) এলাকা নিয়ে এই সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝি হয়েছেন আবু রেজা নদভী।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে নৌকায় চড়েন নদভী। তারপর থেকে দলের অভ্যন্তরিন কোন্দল ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য এলাকায় বেশ সমালোচিত ব্যাক্তি তিনি। তাই এই আসনে ধানের শীষের নিরব বিপ্লব ঘটার সম্ভাবনা বেশী।

সারা দেশব্যাপী জামায়াতের দূর্গখ্যাত এই আসনে বরাবরই ভোটের মাঠে জামায়াত শক্তিশালী। তাই এই আসনটিতে ২০ দলীয় জোটের পক্ষথেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে একক ভাবে লড়ছেন জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলাম। এই আসনের জনপ্রিয় এ নেতা এখন কারাগারে।

১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে আসনটিতে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন বর্তমান প্রার্থী আ ন ম শামসুল ইসলাম।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উভয় উপজেলাতে জামায়াত পূর্ণ প্যানেলে ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে।

বর্তমান সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া দুই উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান। চরম প্রতিকূল পরিবেশেও এই দুই উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরাই বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আমলে এলাকার সাধারণ মানুষ নানাভাবে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার । এমনকি তাদের নির্বাচনী প্রচারণাও করতে দেওয়া হয়নি। তাই জামায়াত নেতার বলছেন, সাধারণ মানুষ আজ ক্ষুব্ধ। তারা প্রচার করে নয় ভোটের মাধ্যমে নিরবে বিপ্লব ঘটাতে চায়। ধানের শীষ প্রতীক জয় যুক্ত করে তাদের নেতাকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনবে এমনটায় প্রত্যশা লোহাগাড়া, সাতকানিয়া বাসীর।

Comments

comments