দিনাজপুর-৬: বিএনপি-জামায়াতের বাড়ি বাড়ি হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেফতার-৭

দিনাজপুর -৬ আসনে বিএনপি- জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও গ্রেফতার করছে আওয়ামী লীগ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি নির্বাচনী প্রচারণায়ও হামলা করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

স্থা্নীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সিংড়া ইউনিয়নের মঘলিশপুর গ্রামের জামায়াতের কর্মী ইউসুফ আলির বাড়ীতে  স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এসময় ঘরের ব্যবহারিত টিন ও আসববপত্র ভাঙচুর করে এবং ঐজামায়াত কর্মীর জমানো ৩০ হাজার টাকাও লুট করে নিয়ে যায় তারা।

একই সময়ে ঐএলাকার নুর মোহাম্মাদ ও রফিকুল ইসলামের বাড়িতেও হামলা করে তারা। এমনকি নৌকায় ভোট না দিলে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

অন্যদিকে ২নং পালশা ইউনিয়নে মাঝিয়ান গ্রামে ধানের শীষের প্রচারণার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বুলবুল ও মঈনুলের নির্দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মারধর করে তারা পুলিশে দেবে বলে হুমকি দেয়।

এদিকে নবাবগঞ্জ ৭ নং ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামে ধানের শীষের পোস্টার লাগাতে গেলে তাদেরকে অন্যায়ভাবে ধরে রেখে পুলিশের হাতে দেয় স্থানীয় আওয়ামী লীগনেতা নূর আমিন। এসময় পুলিশ বিএনপি দাউদপুর ইউনিয়নের সেক্রেটারি মুকুলকে অন্যায়ভাবে গ্রেতার করে।

বিএনপি নেতাকে গ্রেফতারের পর বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়। এসময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে পুলিশ ও বিজিবি অভিযানের নামে দেওগ্রামে আশরাফুল ও জামায়াত কর্মী ডা. মোঃ মনিরুল ইসলামসহ ৪জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা বলছে, আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নেই। যে পুলিশ আমদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা সেই পুলিশের সহযোগিতায় হামলাকারীরা হামলা করছে এবং সাধারন মানুষদেরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। তাহলে আমরা নিরাপত্তা চাইবো কার কাছে?

এ ঘটনায় প্রতিাবাদ জানিয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এসকল অন্যায়পূর্ণ গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি এসকল অন্যায়ভাবে গণগ্রেপ্তার ও বাড়ী ভাঙচুরের নাটক বন্ধ করতে পুলিশকে আহ্বান জানান।

Comments

comments