বিএনপি করায় আটক, গ্রেফতার দেখাল নারী নির্যাতন মামলায়

দুই দফায় আটকের পর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার জয়চণ্ডী ইউপির চেয়ারম্যান এবং ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মনসুরের সমর্থক বিএনপি নেতা কমর উদ্দিন আহমদ কমরুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার কমর উদ্দিন আহমদকে নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। দুপুরে তার অফিস থেকে গ্রেফতারের পর মৌলভীবাজার আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল দুপুরে কমরুকে আটক করেছিল পুলিশ। তবে ৩ ঘণ্টা আটক রেখে বিকেলে ছেড়ে দেয়া হয়। ছাড়া পেয়ে সেদিন রাতে হাজীপুর ইউনিয়নে সুলতান মনসুরের জনসভায় মহাজোট প্রার্থী বিকল্পধারার এমএম শাহীনকে অভিযুক্ত করেন কমরু।

তিনি বলেন, আমার জীবন যে শাহীন ভাইয়ের জন্য ব্যয় করলাম সে শাহীন ভাই চেয়েছিলেন, কুলাউড়ার মানুষকে আমার লাশ উপহার দেবেন। আমার অপরাধ আমি সুলতান ভাইয়ের কথা বলি, আমার অপরাধ ধানের শীষের কথা বলি।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার কমর উদ্দিন আহমদ কমরুকে আটক করে ১৬ ডিসেম্বর দায়ের করা একটি নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

১৬ ডিসেম্বরে মামলা থাকলে কেন ১৭ ডিসেম্বর আটকের পর তাকে ছেড়া দেয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, গতকাল আটক নয়, আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় এনেছিলাম। ডুলিপাড়ার একটি নির্বাচনী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে, সে মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা জানার জন্য মূলত কালকে তাকে থানায় আনা হয়। মঙ্গলবার তাকে নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, কমর উদ্দিন আহমদ কমরুকে গ্রেফতারের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নির্বাচনে কমর উদ্দিন আহমদ কমরু ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মনসুরের পক্ষে প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তাই তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় নারী নির্যাতন মামলায় জড়ানো হয়েছে।

Comments

comments