২৩ দলীয় জোটের দুই নেতা গ্রেফতার, প্রবাসীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি

  • সাবেক এমপি ডা. তাহেরের নিন্দা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পুলিশ কর্তৃক ২০ দলীয় জোটের দুই নেতাকে মামলা ছাড়াই গ্রেফতার ও প্রবাসীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশীর নামে আতঙ্ক সৃষ্টিসহ নির্বাচনের সময় না থাকার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন অভিযোগ করেছেন সাবেক এমপি ও ২০দলীয় জোটের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের।

তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাতিসা বাজার থেকে জোটের নেতা হাজী আবুল কালাম ও রাতে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ মহিলা কমিশনার ফিরোজা বেগমের স্বামী শ্রমিক নেতা আবুল হাশেমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। একই রাতে পুলিশ বাতিসা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের প্রবাসী শরিফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশী করে। তল্লাশীকালে পুলিশ বলে-তারা শুনেছে শরিফ নির্বাচনের সময় দেশে আসবে, যাতে দেশে না আসে সেজন্য হুমকি দেয়া হয়।

এছাড়া যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীরা চিওড়া ইউনিয়নের সুজাতপুর গ্রামে শিবির নেতা রেজাউল করিমের বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে রান্না করা খাবার খেয়ে শেষ করে। যার কারণে মেহমানরা না খেয়ে চলে যায়। অপরদিকে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের সিংরাইশ গ্রামের শিবির কর্মী সবুজকে যুবলীগ কর্মী বিল্লালের নেতৃত্বে মারধর করা হয়।

ডা. তাহের আরও বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পুলিশ একতরফাভাবে ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশী-হুমকি অব্যাহত রেখেছে। হত্যা ও মাদক মামলায় আ’লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না।

আর আ’লীগ প্রচারণা চালালেও তা দেখেও না দেখার ভান করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড মেনে চলার আহবান জানান তিনি।

Comments

comments