ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে ৭ গুণ, স্ত্রীর ৬০ গুণ

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ব্যাংকে জমার পরিমাণ তেমন না বাড়লেও তাঁর স্ত্রীর আয় বেড়েছে প্রায় ৬০ গুণ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রার্থী হিসেবে ইনু নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য দেওয়া হলফনামা তুলনামূলক পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

১০ বছর ধরে কুষ্টিয়া–২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাংসদ হাসানুল হক ইনুর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা রয়েছে ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৬ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ হিসাবে তাঁর নগদ টাকা বেড়েছে ৭ গুণের বেশি। এবার তাঁর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ১৫৬ টাকা।

অবশ্য তথ্যমন্ত্রীর স্ত্রী আফরোজা হকের নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। এখন তাঁর নগদ টাকা ৬০ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯০ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৭ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৮০ হাজার ৪৯৩ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, তথ্যমন্ত্রী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের মধ্যে কৃষি খাতে কোনো আয় নেই। ব্যবসায় আয় দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৪৪ হাজার ১২৯ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ব্যবসা বছরে আয় ছিল ৮ লাখ ৫ হাজার ৪৫০ টাকা। তথ্যমন্ত্রী বেতন খাতে বছরে আয় দেখিয়েছেন ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৫৮০ টাকা। আর ব্যাংক সুদ ও টক শো থেকে আয় করেন বছরে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯১৪ টাকা। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সময় ২০০৮ সালে ইনুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে আয় ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫ টাকা, নগদ ছিল ১ লাখ ১১ হাজার ২০০ টাকা আর স্ত্রীর কাছে ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সে সময় ব্যাংকে ইনুর নামে ছিল ৭১ হাজার ৯১৭ টাকা, স্ত্রীর নামে ৮ হাজার ৮১ টাকা।

সূত্র: প্রথম আলো

Comments

comments