বগুড়া-৩ জামায়াত নেতার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৩ আসনে জামায়াতের নেতা আবদুল গণি মণ্ডল মনোনয়নপত্র তুলেছেন।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে দুপচাঁচিয়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম জাকির হোসেনের কাছ থেকে তিনি মনোনয়নপত্র নেন।

আবদুল গণি মণ্ডল দুপচাঁচিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির এবং উপজেলা পরিষদের দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনটি বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাত্র একবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর আশির দশকে এরশাদের শাসনামলে আওয়ামী লীগের জোটপ্রার্থী জাসদের নেতা এ বি এম শাহজাহান নির্বাচিত হন। পরের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে তিনি আবার নির্বাচিত হন। এরপর বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল মজিদ তালুকদার ও তাঁর ছেলে আবদুল মোমিন তালুকদার কয়েকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন।

২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় জাতীয় পার্টির অপরিচিত মুখ নূরুল ইসলাম তালুকদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আবদুল মোমিন তালুকদার মানবতাবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর থেকে আত্মগোপনে আছেন।

এবার তাঁর স্ত্রী মাসুদা মোমিন, ছোট ভাই আবদুল মহিত তালুকদারসহ ১০ জন বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনেছেন। কিন্তু তাঁর পরিবারের কাউকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য ছয়জন মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন। এতে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে জটিলতা দেখা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতের নেতা আবদুল গণি মণ্ডল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলেছেন।

জানতে চাইলে আবদুল গণি মণ্ডল বলেন, ‘২০–দলীয় জোটের সবুজ সংকেত পেয়েই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলেছি। পরবর্তী সময়ে দলের নির্দেশনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

Comments

comments