কুষ্টিয়ায় ফের গণগ্রেফতার, পুলিশের ককটেল নাটক

বিশেষ অভিযানের নামে কুষ্টিয়ায় ফের গণগ্রেফতার চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের অন্তত ৫৬ নেতাকর্মীকে আটক করেছে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ। আটকদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেলেও তাদেরকে পুলিশ ককটেল দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে বলে দাবি করছেন গণগ্রেফতারের শিকার নেতা-কর্মীদের স্বজনেরা।

শনিবার রাতভর জেলাব্যাপী গণগ্রেফতার চালিয়ে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

এর মধ্যে দৌলতপুর থানায় ৬ জন, কুমারখালীতে ১১ জন, মিরপুর ১২ জন, কুষ্টিয়া মডেল থানায় ৭ জন, ইবি থানায় ১৪ জন, ভেড়ামারায় ৪ জন এবং খোকসা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত ৯ জন জামায়াতের নেতা-কর্মী রয়েছে।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মাঠ দখলে রাখতে এবং বিরোধী শিবিরে আতঙ্ক ছড়াতে তথ্যমন্ত্রী ইনু ও আওয়ামী নেতা মাহবুবুল আলম হানিফের নির্দেশেই বিতর্কিত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসানের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে এই গণগ্রেফতার পরিচালনা করা হয়।

শুধুমাত্র বিরোধী মতের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে এই গণগ্রেফতার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতারা। তারা বলছেন, জনসমর্থনহীন সরকার তাদের ইচ্ছেমত সাজানো নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম করতেই এই গণগ্রেফতার চালিয়েছে। নিরীহ মানুষদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ককটেল দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

অবশ্য কুষ্টিয়ার বহুল সমালোচিত পুলিশ সুপার এসএম মেহেদী হাসানের দাবি, জেলাব্যাপী নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বিশেষ এ অভিযান পরিচালনা করছে।

 

আরো পড়ুন:সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের শতাধিক নেতা কর্মী গ্রেফতার

Comments

comments